হরমুজ প্রণালিতে মাইন পরিষ্কারে ছয় মাসও লাগতে পারে, দাবি পেন্টাগনের

ছবির উৎস, NurPhoto via Getty Images

পড়ার সময়: ৬ মিনিট

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা নিয়ে যেমন এখনো অনেক অস্পষ্টতা রয়েছে, ঠিক তেমনি হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল কবে স্বাভাবিক হবে তা এখনো অনিশ্চিত। এরইমধ্যে পেন্টাগন বলেছে, হরমুজ প্রণালিতে ইরান যেসব মাইন পুঁতে রেখেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, সেগুলো অপসারণ করতে ছয় মাস পর্যন্তও সময় লাগতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরই এই প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও তারা মনে করছে।

দ্য ওয়াশিংটন পোস্টে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন উদ্ধৃত করে বিবিসি অ্যারাবিক জানিয়েছে, মঙ্গলবার হাউস আর্মড সার্ভিসেস কমিটির সদস্যদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার ব্রিফিংয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এ মন্তব্য করেন। ব্রিফিং সম্পর্কে অবগত তিন কর্মকর্তা এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

ওই তিন কর্মকর্তার মধ্যে দুজন বলেন, সম্ভাব্য এই সময়সূচি নিয়ে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান—উভয় দলের সদস্যরাই হতাশা প্রকাশ করেছেন। এর অর্থ হলো, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি চুক্তি হলেও জ্বালানি ও তেলের দাম কিছু সময়ের জন্য উচ্চ অবস্থায় থাকতে পারে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কথা বলা ওই তিন কর্মকর্তা জানান, কমিটিকে জানানো হয়েছে যে মধ্যপ্রাচ্যের তেল পরিবহনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ—হরমুজ প্রণালীর আশপাশে ইরান মাইন পুঁতে রাখা হয়ে থাকতে পারে।

এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা কংগ্রেসকে বলেন, এসব মাইনের কিছু জিপিএস প্রযুক্তি ব্যবহার করে দূর থেকে স্থাপন করা হয়েছে, যার ফলে স্থাপনের সময় মার্কিন বাহিনীর জন্য সেগুলো শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে।

এ ছাড়া, আরও কিছু মাইন ছোট নৌযান ব্যবহার করে ইরানি বাহিনী পুঁতে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ চলছে

যুদ্ধ শেষের কোনো 'সময়সীমা' নেই ও 'পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে'

স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

পাকিস্তানে শান্তি আলোচনার প্রস্তুতি চললেও যুক্তরাষ্ট্র কিংবা ইরানের কোনো প্রতিনিধি দল এতে অংশ নেবে কি না—সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, তেহরান আলোচনার জন্য উন্মুক্ত রয়েছে। তবে তিনি যোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের "অঙ্গীকার ভঙ্গ, অবরোধ ও হুমকি"ই মূলত প্রকৃত আলোচনার পথে প্রধান বাধা।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেওয়ার কথা যার, সেই ভাইস–প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এখনো যুক্তরাষ্ট্রেই অবস্থান করছেন।

এদিকে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি বুধবার পর্যন্ত বাড়ানোর সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করার কোনো 'নির্দিষ্ট সময়সীমা' নেই।

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেছেন, যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানো হয়েছে এবং নতুন কোনো সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি।

এদিকে, হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। ইরানের প্রধান আলোচক বাগের কালিবাফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের 'প্রকাশ্য যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের' কারণে এই প্রণালি পুনরায় খোলা 'সম্ভব নয়'।

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট সাংবাদিকদের সামনে যুদ্ধবিরতি ও শান্তি আলোচনা নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন।

ট্রাম্প বলেছেন, তিনি যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়িয়েছেন, কারণ যুদ্ধের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ইরানের নেতৃত্ব বিভক্ত হয়ে পড়েছে এবং সংঘাতের অবসানে একটি প্রস্তাব তৈরি করতে তাদের আরও সময় প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেছেন, ইরানি বন্দরে প্রবেশ বা সেখান থেকে বেরিয়ে আসা জাহাজগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত অবরোধ বহাল থাকবে—যার উদ্দেশ্য ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে চাপে রাখা। এই পদক্ষেপে ইরান ক্ষুব্ধ হয়েছে এবং তারা এটিকে কার্যত যুদ্ধ ঘোষণার শামিল বলে মনে করছে।

লেভিট জোর দিয়ে বলেন, পরিকল্পনাটি কার্যকর হচ্ছে। "এই অবরোধের মাধ্যমে আমরা তাদের অর্থনীতির শ্বাসরোধ করে দিচ্ছি। তারা প্রতিদিন ৫০ কোটি ডলার হারাচ্ছে। খারগ দ্বীপ পুরোপুরি ভরে গেছে, তারা তেল আনা–নেওয়া করতে পারছে না। এই অর্থনৈতিক চাপের কারণে তারা নিজেদের লোকজনকেও বেতন দিতে পারছে না—এই চাপটা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাদের ওপর প্রয়োগ করেছেন।"

হোয়াইট হাউস বলছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বর্তমান পরিস্থিতিতে সন্তুষ্ট এবং তারা এখনো জোর দিয়ে বলছে—নিয়ন্ত্রণ রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের হাতেই।

এদিকে, মার্কিন সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালীতে অবরোধ শুরু হওয়ার পর থেকে তাদের বাহিনী ৩১টি জাহাজ আটকেছে।

পাশাপাশি, বেশ কয়েকটি বাণিজ্যিক জাহাজ নাকি অবরোধ এড়িয়ে গেছে—এমন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনকে তারা 'সঠিক নয়' বলে দাবি করেছে।

সেন্টকম বলেছে, "'মার্কিন সামরিক বাহিনীর কার্যপরিধি বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত"।

বিবৃতিতে আরও যোগ করা হয়, "মধ্যপ্রাচ্যসহ এর বাইরেও সক্রিয় থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী এই অবরোধ কার্যকর করছে"।

মার্কিন নৌবাহিনীর প্রধানের পদত্যাগ

মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর প্রধান জন সি ফিলান পদত্যাগ করেছেন।

পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পারনেল এক ইমেইলে লেখেন, ফিলান "তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর সিদ্ধান্তে পেন্টাগন ছাড়ছেন"। তবে তার পদত্যাগের কারণ জানানো হয়নি। ফিলান ১৩ মাস ধরে এই পদে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

ছবির উৎস, Anadolu via Getty Images

ছবির ক্যাপশান, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি

'হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তাহীনতার মূল হলো মার্কিন ও ইসরায়েলি আগ্রাসন'

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, উপসাগরীয় অঞ্চল ও হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তাহীনতার 'মূল কারণ' হলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের 'আগ্রাসন'।

এক্সে ইরান সরকার প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তেহরানে দক্ষিণ কোরিয়ার বিশেষ দূতের সঙ্গে আব্বাস আরাঘচির বৈঠক হয়েছে।

বৈঠকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অন্যান্য দেশকে এসব হামলার নিন্দা জানাতে "স্পষ্ট ও দৃঢ় অবস্থান" নেওয়ার আহ্বান জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, ইরান তার নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষায় আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় পদক্ষেপ নিয়েছে এবং সম্ভাব্য যেকোনো পরিণতির জন্য "দায়িত্ব আক্রমণকারী পক্ষগুলোরই"।

এমন অবস্থানের মধ্যেই ইরান বলছে, তারা হরমুজ প্রণালিতে দুটি জাহাজ 'জব্দ' করেছে, আর তৃতীয় একটি পণ্যবাহী জাহাজেও হামলার ঘটনা ঘটেছে।

ছবির উৎস, Ministry of Interior Pakistan

ছবির ক্যাপশান, মার্কিন চার্জ ডি'অ্যাফেয়ার্স ন্যাটালি বেকের সঙ্গে বৈঠকে পাকিস্তানের ফেডারেল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি

ইরানের কাছ থেকে ইতিবাচক অগ্রগতির আশা পাকিস্তানের

পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স নাটালি বেকারের সঙ্গে এক বৈঠকে বলেছেন, ইরানের পক্ষ থেকে ইতিবাচক অগ্রগতির আশা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে অঞ্চলের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি ইসলামাবাদ সংলাপের দ্বিতীয় দফা আয়োজনের বিষয়ে কূটনৈতিক প্রচেষ্টাও আলোচনায় আসে।

পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, মহসিন নাকভি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেন এবং এটিকে উত্তেজনা কমানোর পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করেন।

তিনি আরো বলেন, ইরানের কাছ থেকেও ইতিবাচক অগ্রগতির আশাবাদ রয়েছে।

সংকট সমাধানে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং নোপ্রধান ফিল্ড মার্শাল জেনারেল আসিম মুনির সব পর্যায়ে জোরালো প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন দাবি করে তিনি বলেন, "আশা করা যায়, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো কূটনৈতিক ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের সুযোগ দেবে"।

ছবির উৎস, AFP via Getty Images

ছবির ক্যাপশান, রেচেপ তাইপ এরদোয়ান

ইরান যুদ্ধ ইউরোপকে 'দুর্বল করতে শুরু করেছে': এরদোয়ান

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইপ এরদোয়ান বলেছেন, ইরানে চলমান যুদ্ধ ইউরোপকে "দুর্বল করতে শুরু করেছে"। জার্মানির প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্ক-ভল্টার স্টাইনমায়ারের সঙ্গে এক ফোনালাপে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এরদোয়ানের দপ্তরের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে বলা হয়, বুধবার ফোনালাপে দুই নেতা দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং ইরান ও ইউক্রেনে চলমান যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা করেন।

পোস্টে বলা হয়, "প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান উল্লেখ করেন, আমাদের অঞ্চলে এই যুদ্ধ ইউরোপকেও দুর্বল করতে শুরু করেছে"।

তিনি বলেন, যদি শান্তিমুখী দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে এই প্রবণতার মোকাবিলা না করা হয়, তাহলে সংঘাতকাল থেকে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি আরও অনেক বেশি হবে"।

ছবির উৎস, AP

ছবির ক্যাপশান, আমাল খলিল

বৈঠকের আগে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ লেবাননের

দক্ষিণ লেবাননে বুধবার ইসরায়েলি বিমান হামলায় সাংবাদিক আমাল খালিল নিহত এবং আরেক সাংবাদিক আহত হওয়ার পর লেবাননের প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ এনেছেন ইসরায়েলের বিরুদ্ধে।

এই ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটল, যখন ইসরায়েল ও লেবানন আজ ওয়াশিংটনে দ্বিতীয় দফা বৈঠকের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

লেবাননের কর্মকর্তারা বলেছেন, প্রাথমিক এক বিমান হামলায় তাদের সামনে থাকা একটি যানবাহন আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে দুজন পুরুষ নিহত হন। এর পর আশ্রয়ের জন্য একটি বাড়িতে যাওয়ার সময় আমাল খালিল ও জেইনাব ফারাজকে ইচ্ছাকৃতভাবে লক্ষ্য করা হয়।

কর্তৃপক্ষ আরও অভিযোগ করেছে, তায়রি গ্রামে সাংবাদিকদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করা একটি চিহ্নিত অ্যাম্বুলেন্সকেও ইচ্ছাকৃতভাবে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্সেস (আইডিএফ)।

৪৩ বছর বয়সী আমাল খালিল লেবাননের দৈনিক আল-আখবার পত্রিকায় কাজ করতেন। তিনি এবং ফ্রিল্যান্স আলোকচিত্রী জেইনাব ফারাজ একসঙ্গেই ভ্রমণ করছিলেন। নিহত দুই ব্যক্তির নাম কর্মকর্তারা প্রকাশ করেননি।

আইডিএফ এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, তারা উদ্ধারকারীদের ওই এলাকায় পৌঁছাতে বাধা দিচ্ছে না এবং সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে হামলা চালায়নি।

এদিকে, ওয়াশিংটন ডিসিতে বৃহস্পতিবার ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে দ্বিতীয় দফা বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। বর্তমান ১০ দিনের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো নিয়ে এসব আলোচনায় অগ্রগতি আশা করা হচ্ছে।

লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন বলেছেন, রাষ্ট্রদূত পর্যায়ের এসব আলোচনা "ইসরায়েলি আগ্রাসন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা, লেবাননের ভূখণ্ড থেকে ইসরায়েলের প্রত্যাহার নিশ্চিত করা, বন্দিদের ফেরত দেওয়া, আন্তর্জাতিক সীমান্তে সেনা মোতায়েন এবং এই যুদ্ধে ধ্বংস হওয়া অবকাঠামোর পুনর্গঠন শুরু করার" লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে।

এর আগে প্রথম দফার আলোচনার পর ১৬ এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়া ১০ দিনের একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় দুই পক্ষ।