ঢাকায় রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র-বিরোধী সমাবেশ
ছবির উৎস, Mir Sabbir
বাংলাদেশে সুন্দরবনের কাছে রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাতিলের দাবীতে ঢাকার শহীদ মিনারে একটি সমাবেশ করেছে তেল-গ্যাস-বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটিসহ বেশ কয়েকটি বামপন্থী সংগঠন।
বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে বামপন্থী সংগঠণের কর্মীরাসহ রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্রবিরোধী সাধারণ মানুষেরাও এখানে যোগ দেন।
শহীদ মিনারের সমাবেশে দুপুরের পর বেশ ভাল জনসমাগম দেখা যায়, যার সিংভাগই ছিলেন বামপন্থী বিভিন্ন সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
এর বাইরে ঢাকা ও ঢাকার বাইরে থেকে সাধারণ মানুষও এসেছিলেন সমাবেশে যোগ দিতে।
একই দিনে কিউবার বিপ্লবী নেতা ফিদেল কাস্ত্রো মারা যাওয়ায় সমাবেশের বক্তাদের কথায়ও বারবার আসছিল সেই কথা।
তেল-গ্যাস-রক্ষা কমিটির সদস্য সচিব আনু মুহাম্মদ সমাবেশ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
ছবির উৎস, Mir Sabbir
যদিও রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের বিষয়ে সরকার এখনো অনড় অবস্থানে রয়েছে এবং ইউনেস্কোর উদ্বেগ প্রকাশ সত্ত্বেও সেই অবস্থান থেকে সরে আসার কোন লক্ষণ দেখা যায়নি।
"কোন কিছুই সংগ্রাম ছাড়া হয় না। আমরা যদি সবাই মিলে একত্রিত হয়ে আন্দোলন করি, তাহলে অবশ্যই এটা বাস্তবায়িত হবে"। বলেন নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা বামপন্থী একটি ছাত্র সংগঠণের কর্মী আইরিন সুলতানা।
চট্টগ্রাম থেকে সমাবেশে পরিবারসহ এসেছিলেন আবু তৈয়ব হাবিলদার। সরাসরি রাজনীতির সাথে যুক্ত না হলেও রামপালের বিরুদ্ধে তারা শুরু থেকেই সোচ্চার।
তিন মাস বয়সী কন্যা শিশুর নামও রেখেছেন সুন্দরবনের কথা মনে রেখে প্রীতিলতা সুন্দরী। মায়ের কোল থেকে চোখ বড় বড় করে মিছিল দেখছিল প্রীতিলতা।
"বাংলাদেশের সবাই যদি আন্দোলন বন্ধ করে দেয়, তারপরও আমার পরিবার সুন্দরবনের পক্ষে লড়বে"। বলেন মি. হাবিলদার।
মাঝে মাঝেই মেগাফোনে স্লোগান দিচ্ছিল এই দম্পতির চার বছর বয়সী ছেলে শিশু, যার নাম তারা রেখেছেন চে গোয়েভারা।
এর আগে রামপালবিরোধী মিছিলে হামলার ঘটনা হলেও, এবার কোন বাধা ছাড়াই শেষ হয় সমাবেশ ও মিছিল।
দাবী মানা না হলে আগামী ২৬শে জানুয়ারী হরতালের ডাক দিয়েছে আন্দোলনকারীরা।
প্রধান খবর
নির্বাচিত খবর
পাঠকপ্রিয় খবর
ছবির কপিরাইট