ইরানিদের জন্য গয়না-বাসনপত্রের মতো সাহায্য কেন তুলছে ভারতীয়রা

জম্মু-কাশ্মীরের শ্রীনগরে ইরানে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য  গণ অনুদান সংগ্রহ করা হচ্ছে

ছবির উৎস, LightRocket via Getty Images

ছবির ক্যাপশান, জম্মু-কাশ্মীরের শ্রীনগরে ইরানে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য গণ অনুদান সংগ্রহ করা হচ্ছে
    • Author, রূপসা সেনগুপ্ত
    • Role, বিবিসি নিউজ বাংলা
  • পড়ার সময়: ৬ মিনিট

মধ্য প্রাচ্যের সংঘাতের মধ্যে ইরানের নাগরিকদের জন্য ভারত থেকে কেউ পাঠাচ্ছেন গয়না, কেউ দিচ্ছেন জমানো অর্থ। আবার ভারত সরকারও পাঠাচ্ছে ওষুধ আর ত্রাণসামগ্রী। ইরানের নাগরিকদের সাহায্য করার জন্য ভারতের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে দিল্লিতে অবস্থিত ইরানের দূতাবাস।

একদিকে যেমন তেহরানে ওষুধ এবং ত্রাণ সামগ্রী পাঠিয়েছে ভারত সরকার, তেমনই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আর্থিক সাহায্য করেছেন সাধারাণ মানুষ। জম্মু ও কাশ্মীর, উত্তরপ্রদেশসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কেউ জমানো টাকা পাঠিয়েছেন কেউ নিজের গয়না, কেউবা ঐতিহ্যবাহী বাসনপত্র দান করেছেন বলে জানা গিয়েছে।

দিল্লিতে অবস্থিত দূতাবাসের তরফে জানানো হয়েছে তারা আপ্লুত। আসন্ন দিনগুলোতেও যাতে আর্থিক অনুদান এবং মানবিক সহায়তা যাতে পাঠানো হয় সে জন্য ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত দেওয়া হয়েছিল। জানানো হয়, কেউ চাইলে দূতাবাসে গিয়ে নগদ আর্থিক অনুদান দিতে পারেন।

এদিকে, সোমবার ইরানের মাশহাদ বিমানবন্দরে মার্কিন বিমান হামলায় মাহান এয়ার (ইরান এয়ারলাইন্স)-এর একটি বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ইরানের কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, বিভিন্ন দেশ থেকে ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জামসহ মানবিক সহায়তা বহন করছিল ওই বিমান।

ভারত থেকেও ওষুধ ও ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল ওই বিমানের। যুক্তরাষ্ট্র এখনো বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।

ইরানের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে হামলা শুরু করার পর বিশ্বের শক্তিশালী দেশগুলো কারও না কারও পক্ষ নিয়েছে। কিন্তু ভারত এই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ওই অঞ্চলে 'শান্তি ও স্থিতিশীলতা' বজায় রাখতে বলেছে। পাশাপাশি সংঘাতের আবহে থাকা সমস্ত দেশকে 'সংযম' দেখানোর কথাও বলেছে।

দিল্লিতে অবস্থিত ইরানের দূতাবাসের তরফে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে করা পোস্ট।

ছবির উৎস, Iran in India/X

ছবির ক্যাপশান, দিল্লিতে অবস্থিত ইরানের দূতাবাসের তরফে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে করা পোস্ট

ইরানি দূতাবাস কী জানিয়েছে

চলমান সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ইরানের নাগরিকদের কথা ভেবে ভারতীয়দের অনেকে এগিয়ে এসেছেন বলে জানিয়েছে দিল্লির ইরানি দূতাবাস।

ইরানের মিনাবে অবস্থিত এক স্কুলে হামলার পর অনেকেই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে সাহায্য করার জন্য এগিয়ে আসেন। সেই সময় একটি মাটির ভাঁড় ও ফুলের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করে দিল্লির দূতাবাসের তরফে জানানো হয় এক শিশু নিজের জমানো অর্থ দান করেছে।

পাশাপাশি কাশ্মীর, কেরালা, উত্তর প্রদেশসহ বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আর্থিক সাহায্য এবং মানবিক সহায়তা পাঠানো হয়েছে বলেও খবর এসেছে।

কাশ্মীরের বদগাম, বারামুল্লাসহ একাধিক জেলায় ঈদ-উল ফিতর উদযাপনের পর, শিয়া-অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে স্বেচ্ছাসেবকরা সাম্প্রতিক সামরিক হামলায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে চাঁদা তুলেছেন। শুধু অর্থই নয়, সোনা-রুপার গয়না, গবাদি পশু এবং ঐতিহ্যবাহী তামার সামগ্রীও দান করেছেন অনেকে।

দিল্লিতে অবস্থিত ইরানের দূতাবাস এই ছবিটি  পোস্ট করেছে

ছবির উৎস, Iran in India/X

ছবির ক্যাপশান, দিল্লিতে অবস্থিত ইরানের দূতাবাস এই ছবিটি পোস্ট করেছে

ইংরেজি সংবাদ মাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে মীরাটের তিন ভাই ইরানে হামলায় নিহত শিশুদের পরিবারকে সহায়তার জন্য ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা মূল্যের একটি জমি দান করেছেন। ওই জমি নিলাম করার পর সংগ্রহ করা অর্থ মার্কিন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য তুলে দেওয়া হবে বলে সংবাদ মাধ্যমকে তারা জানান।

ভারতীয়দের এই সৌহার্দ্যপূর্ণ পদক্ষেপের প্রশংসা করেছে দিল্লস্থিত ইরানি দূতাবাস। আর্থিক অনুদানের জন্য ব্যাংকের অ্যাকাউন্টের বিস্তারিতও দেওয়া হয়।

সাম্প্রতিক এক পোস্টে জানানো হয় প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অনুদান গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

পরিবর্তে সরাসরি দূতাবাসে নগদে অনুদান দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। দূতাবাসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অনলাইন ট্রান্সফারের সমস্যা সমাধানের জন্য কাজ চলছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর পর শোক প্রকাশ করতে দিল্লি, জম্মু ও কাশ্মীরের কিছু অংশসহ ভারতের বিভিন্ন জায়গায় রাস্তায় নেমেছিলেন অনেকে।

মাশহাদ বিমানবন্দরে মার্কিন বিমান হামলা

স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

মাশহাদ বিমানবন্দরে মার্কিন বিমান হামলাকে যুদ্ধাপরাধ এবং আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে বর্ণনা করেছে ইরান।

ভারতে অবস্থিত ইরানি দূতাবাস এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে জানিয়েছে, "ওই বিমানটি বিভিন্ন দেশ থেকে ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম বহন করছিল এবং এটি একটি মানবিক মিশনে ছিল। এই ধরনের একটি বেসামরিক বিমানকে লক্ষ্যবস্তু করা আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল বিধি লঙ্ঘন এবং মানবিক আইনের নীতির পরিপন্থী।"

"শিকাগো কনভেনশন (১৯৪৪) এবং মন্ট্রিল কনভেনশন (১৯৭১) অনুযায়ী, বেসামরিক বিমানের নিরাপত্তার বিরুদ্ধে যেকোনো পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।"

দূতাবাস বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থাসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কাছে "এই হামলার বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণ, দায়ীদের শাস্তি প্রদান এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের হুমকি প্রতিরোধ করার" জন্য আবেদন জানিয়েছে।

সংবাদ সংস্থা পিটিআই ইরানি কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে যে, চলতি সপ্তাহে এই বিমানটির ভারতে আসার কথা ছিল, যাতে ওষুধসহ মানবিক সহায়তা ইরানের মানুষের পৌঁছে দেওয়া যায়।

পিটিআই-এর খবর অনুযায়ী , কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে বিমানটির এই সপ্তাহে দিল্লি যাওয়ার কথা ছিল। এখন অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, যে এই আবহে ভারত কী তার আগের অবস্থান বজায় রাখবে। বিশেষত যখন ইরান হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করে ভারতগামী কয়েকটি তেলের ট্যাংকারগুলিকে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে?

ভারত এবং ইরানের সম্পর্ক দীর্ঘ দিনের - প্রতীকী ছবি

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, ভারত এবং ইরানের সম্পর্ক দীর্ঘ দিনের - প্রতীকী ছবি

বিশেষজ্ঞদের মতামত

সাবেক কূটনীতিবিদ রাজীব ডোগরার কথায়, "ভারত এবং ইরানের সম্পর্ক আজকের নয়। এই সম্পর্ক দুই প্রাচীন সভ্যতার সম্পর্ক। পারস্য ও ভারতের মানুষের সংযোগ ছিল, যাতায়াতও ছিল। স্মৃতি এবং সম্পর্কের রেশ কিন্তু আজও আছে।"

"শিয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে ইরানের প্রতি একটা উষ্ণ এবং বন্ধুত্ব সেন্টিমেন্ট রয়েছে, যা বিভিন্ন সময় প্রকাশ পেয়েছে। ইরানেও ভারতের প্রতি একই ধরনের সেন্টিমেন্ট কাজ করে।"

দুই দেশের সরকারের মধ্যে সম্পর্কের কথাও তিনি ব্যাখ্যা করেছেন।

তার কথায়, "একাধিক ক্ষেত্রে ইরান কিন্তু ভারতের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মন্তব্য করেছে। ভারত কিন্তু দুই দেশে সম্পর্কের উপর জোর দিয়ে এসেছে।"

"দ্বিপাক্ষিক স্তরে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক ভালই থেকেছে। কিন্তু মাল্টিল্যাটারাল (বহুপাক্ষিক) সম্পর্কের ক্ষেত্রে যেমন এখন এই যুদ্ধে একাধিক দেশ জড়িয়ে পড়েছে। এক্ষেত্রে ব্যাপারটা অন্যরকম দাঁড়ায়। ভারতের জন্য পরিস্থিতি অনেকটা ক্যাচ টুয়েন্টি টুয়ের মতো। না ভারত ইরানের বিরুদ্ধে কথা বলতে চায় না, তারা ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যেতে চায়।"

মি. ডোগরা যোগ করেন, "তাই ভারত নীরব থাকার অবস্থান নিয়েছে। কোনো এক পক্ষের কথা বলেনি, বা নির্দিষ্ট কারো সমালোচনা করেনি। বরং শান্তি ও স্থিতাবস্থা ফেরানোর কথা বলেছে।"

মাশহাদ ইরানের বিমানবন্দরে হামলার পর ভারতের অবস্থানে কী বদল আসতে পারে? এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছেন, "এখন বিষয়টা শুধুমাত্র ভারতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বিশ্ব এই পুরো ব্যাপারটাকে কীভাবে দেখছে সেটা ভাবতে হবে।"

এই প্রসঙ্গে তিনি মার্কিন নাগরিকদের ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধের নীতি সমালোচনার বিষয়ে উল্লেখ করেছেন।

এই সাবেক রাষ্ট্রদূত বলেছেন, "কোনো সুস্থ মানুষ স্কুলে হামলা বা বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুকে নিশানা করাকে সমর্থন করবেন না। ইরানের এই বিমানও কিন্তু সামরিক লক্ষ্যবস্তু ছিল না। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি যদি কোনো সহানুভূতি থেকে থাকে তাও থাকবে না। সাধারণ ভারতীয়রাও বিষয়টাকে একইভাবে দেখবেন।"

কিন্তু কূটনৈতিক স্তরে বিষয়টা অন্যরকম। তিনি ব্যাখ্যা করেছেন, "ওই বিমানকে ভারতীয় আকাশসীমায় আঘাত করা হয়নি, ইরানের মাটিতে আঘাত করা হয়েছে। ভারত সরাসরি প্রভাবিত হয়নি। কাজেই কূটনৈতিকস্তরে ভারত সরাসরি এই নিয়ে কিছু বলতে পারে না। কিন্তু আমি নিশ্চিত বিষয়টিকে সরকার নোট করেছে।"

"এখন যা করণীয় তা ইরানের। তারা আন্তর্জাতিক স্তরে এই বিষয়টি উত্থাপন করতে পারে।"

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি  ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুতে শোক জানিয়ে  একটি বার্তা লিখছেন

ছবির উৎস, XPD Division, MEA

ছবির ক্যাপশান, ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুতে শোক জানিয়ে বার্তা লিখছেন

ভারতীয়দের একাংশের মধ্যে ইরানের প্রতি সমর্থন

এই প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রনীতি বিশেষজ্ঞ গীতাঞ্জলি সিন্হা রায়ের মতামত জানতে চাওয়া হয়েছিল। তিনি বলেছেন, "গণমাধ্যমের একাধিক প্রতিবেদনে দেখ গিয়েছে যে কাশ্মীরসহ বিভিন্ন জায়গায় মানুষ ইরানে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য অর্থ সংগ্রহ করছে। কেউ গয়না দান করেছেন কেউ দামী সামগ্রী দান করেছেন।"

"কাজেই একাংশের মধ্যে ইরানের প্রতি পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ সমর্থন রয়েছে তা স্পষ্ট।"

তিনি ব্যাখ্যা করেছেন, ভারতও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছে। তার কথায়, "ভারত যে কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের উপর জোর দেয়, কিন্তু কোনো দেশের জোট হতে ভারত চায় না।

এই প্রসঙ্গে ভিন্ন মত পোষণ করেন স্ট্র্যাটেজিক অ্যানালিস্ট ও প্রবীণ সাংবাদিক কমার আগহা।

তার কথায়, "নীতিগত দিক থেকে আমরা মানবিক সহায়তা বহনকারী বিমান বা যানের উপর আক্রমণের নিন্দা করি। যুক্তরাষ্ট্র অন্যান্য দেশের উপর যেভাবে নিষেধাজ্ঞা জারি করে তা সমর্থন করি না। কিন্তু সমস্যা হলো যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশ তারপর সেকেন্ডারি স্যাংশান জারি করে। ভারত সাধারণত এই সমস্ত সময়ে শুরুতে নীরব থাকে এবং পরে পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হলে নিন্দা জানায়। এক্ষেত্রে কী হয় সেটা দেখার।"

বিদেশনীতি বিশেষজ্ঞ উপমন্যু বসুর কথায়, "ইরানের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক প্রাচীন। দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত সম্পর্কও ছিল। কিন্তু এই সংঘাতে ভারত সরাসরি যুক্ত নয়। তাই নীরব থেকেছে। এই নীরব থাকাটাও এক ধরনের কৌশলগত অবস্থান।"

"যুদ্ধের মাশুল অন্যদের চোকাতে হয়। এক্ষেত্রেও তাই হচ্ছে। এশিয়ার দেশগুলো জ্বালানির সংকটে ভুগছে। ভারতও এই তালিকায় আছে তাই ভারত চায় এই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হোক। ভারত নীতিগত কোন অবস্থান নেবে না কিন্তু তার স্থিতিশীলতা আসুক সেটা চাইবে।"