টেক্সাসে বন্দুক হামলা: এল পাসো শহরে ওয়ালমার্টের দোকানে বন্দুকধারীর গুলিতে অন্তত ২০জন নিহত

ছবির ক্যাপশান, একুশ বছরের একজন ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ এবং সে একাই হামলা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে বন্দুকধারীর গুলিতে অন্তত ২০ জন নিহত এবং ২৪ জন আহত হয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। এল পাসো শহরে ওয়ালমার্টের একটি দোকানে এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।

টেক্সাসের মেয়র গ্রেগ অ্যাবট এই ঘটনাকে সেখানকার 'ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ দিন' বলে বর্ণনা করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্র মেক্সিকো সীমান্তের কয়েক মাইল দূরত্বে সিয়েলো ভিস্টা মলের কাছে ওয়ালমার্ট স্টোরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

একুশ বছরের একজন ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ এবং সে একাই হামলা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যে পুলিশ সদস্যরা তাকে আটক করেছেন, তাদের প্রশংসা করেছেন মেয়র গ্রেগ অ্যাবট।

যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমে বলা হচ্ছে, সন্দেহভাজন ব্যক্তির নাম প্যাট্রিক ক্রুসিয়াস, সে ডালাস এলাকার একজন বাসিন্দা।

সিসিটিভি ফুটেজে একজন ব্যক্তিকে বন্দুকধারী হিসাবে দেখা যাচ্ছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যম বলছে, গাঢ় টি-শার্ট পড়া স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র হাতে ব্যক্তি হামলা করেছে।

আরো পড়ুন:

ছবির ক্যাপশান, সন্দেহভাজন হামলাকারীর ছবি প্রকাশ করা হয়েছে মার্কিন গণমাধ্যমে

যা ঘটেছে

বন্দুকধারীর প্রথম হামলার তথ্য পাওয়া যায় স্থানীয় সময় সকাল ১০টায়।

পুলিশ বলছে, হামলার সময় ওয়ালমার্টের ওই দোকানটিতে ক্রেতাদের প্রচণ্ড ভিড় ছিল।

পুলিশের মুখপাত্র সার্জেন্ট রবার্ট গোমেজ বলেছেন, একমাত্র সন্দেহজনক ব্যক্তি হচ্ছেন একুশ বছর বয়সের একজন শ্বেতাঙ্গ ব্যক্তি।

তবে তাকে আটক করার সময় পুলিশের কোন কর্মকর্তাকে গুলি করতে হয়নি।

পুরো এলাকাকে নিরাপদ করে তোলা সম্ভব হয়েছে বলে তিনি বলছেন।

বিবিসি বাংলার অন্যান্য খবর:

ছবির উৎস, EPA

ছবির ক্যাপশান, হামলার সময় ওয়ালমার্টে অনেক মানুষ কেনাকাটা করতে এসেছিলেন

হামলার সময় সেখানে উপস্থিত একজন ব্যক্তি গুলিবর্ষণের বর্ণনা দিয়েছেন।

সিবিএস নিউজকে তিনি বলেছেন, ''সেখানে কর্মীরা ছিল, তারা ভেতরে এসে বলছিল যে, তারা কয়েকটি গুলির শব্দ শুনেছে।

তখন মানুষজন সবাই কাভার নেয়ার জন্য দোকানটির ভেতর ছুটে আসছিল। আমি শান্ত থাকার চেষ্টা করছিলাম, কিন্তু ভেতরে ভেতরে আমি ভেঙ্গে পড়ছিলাম।''

এল পাসোর মেয়র গ্রেগ অ্যাবোট বলেছেন,''এরকম দুঃখজনক ঘটনা এখানে কখনো ঘটেনি, কখনো ভাবিনি এল পাসোতে এমনটা কখনো ঘটবে। এটা আমাদের দুঃখ দিয়েছে।''

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ওই এলাকা থেকে যেসব খবর আসছে, তা খুব খারাপ, অনেকে মারা গেছেন।