ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল
সংসদ নির্বাচনে শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রে স্থাপিত ভোট কেন্দ্রে জগন্নাথ হলের
শিক্ষার্থীরা যে অংশে ভোট দিচ্ছেন, সেখানে সকাল সাড়ে আটটার দিকে প্রবেশ করেছেন ছাত্রদল
প্যানেলের সহ-সভাপতি (ভিপি) পদপ্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান।
এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, প্রার্থীদের
জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কোনো কার্ড করেনি। সে কারণে তাকে মেয়েদের হলের ভোটকেন্দ্রে
প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।
ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা কাজী
মোস্তাক গাউসুল হক জানান, "প্রার্থীদের ভোট কেন্দ্রে প্রবেশের কোনো সুযোগ নেই।
আমি জহুরুল হকের কেন্দ্রে ছিলাম। বিষয়টি জানি না। খোঁজ নিয়ে দেখছি।"
পরবর্তীতে জগন্নাথ হলের ভোট কেন্দ্র থেকে কাজী মোস্তাক
গাউসুল হক বলেন, "আমি এখানে আসার পর কাউকে পাইনি। আর কেউ ঢুকতে পারবে না।"
তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দেওয়া ভোটের আচরণবিধিতে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশাধিকারের বিষয়ে বলা আছে, ভোটাররা নিজ নিজ হলের বৈধ পরিচয়পত্র প্রদর্শন করে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করবে।
এছাড়া নির্বাচনি কর্মকর্তা-কর্মচারী, প্রার্থী, পোলিং এজেন্ট, রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক অনুমোদিত ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কেউ ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবে না। ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা তাদের নির্ধারিত স্থানে অবস্থান করবেন।
আবিদুল ইসলাম খান দাবি করেছেন, তিনি অনুমতি নিয়েই ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করেছেন।
এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ - ডাকসু ও হল
সংসদ নির্বাচনে ছাত্রদলের বিরুদ্ধে ভুয়া বুথ বসানোর অভিযোগ দিয়েছে সাহিত্য ও
সংস্কৃতি সম্পাদক পদপ্রার্থী মুসাদ্দিক আলী ইবনে মুহাম্মদ।
মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের উদয়ন উচ্চ
মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এসে এই অভিযোগ করেন তিনি।
মুসাদ্দিক বলেন, ছাত্রদল
এখানে বুথ বসিয়ে ভোটারদের বিভিন্ন তথ্য দিচ্ছে ও লিফলেট বিতরণ করছে।
তারা বলছে এগুলো ভোটারদের তথ্য, কিন্তু
ভোটারদের তথ্য হলে এখানে ভোটারদের নাম লেখা থাকতো, প্রার্থীদের না।
“তারা যা করছে তার মাধ্যমে নির্বাচনি পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে।
আমরা নির্বাচন কমিশনারকে আহ্বান জানিয়েছি অতিদ্রুত ব্যবস্থা নিতে। যদি ব্যবস্থা
গ্রহণ না করা হয়, তাহলে বুঝবো নির্বাচন কমিশন ছাত্রদলকে ফেভার দিচ্ছে”, অভিযোগ
করেন তিনি।