পত্রিকা: 'তেলের ধাক্কা নানা খাতে'
দেশ রূপান্তর পত্রিকার সংবাদ- তেলের ধাক্কা নানা খাতে।
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর দেশের বিভিন্ন খাতে এর প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। পরিবহন ভাড়া, নিত্যপণ্যের দাম এবং এলপিজির মূল্য বেড়েছে, একই সঙ্গে জ্বালানির ঘাটতির কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে লোডশেডিংও বাড়ছে। এতে শিল্পকারখানার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং কৃষকেরাও সেচ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।
বিশ্লেষকরা বলছেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরান যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি সরবরাহ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। দাম বাড়ানো হলেও সরবরাহ স্বাভাবিক হবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষের ওপর চাপ আরও বাড়তে পারে।
এদিকে দীর্ঘদিন ধরে পেট্রোলপাম্পে তেলের জন্য ভিড় ও লাইনের পরিস্থিতি অব্যাহত রয়েছে। সরকার সংকট না থাকার কথা বললেও বাস্তবে ভোগান্তি কমেনি।
বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, বিকল্প উদ্যোগ না নিলে মূল্যস্ফীতি আরও বেড়ে যেতে পারে এবং তা জনজীবনে নতুন করে চাপ সৃষ্টি করবে।
নিউ এইজ পত্রিকার আজকের খবর- Fuel price hike shoots up fares, commodity prices অর্থাৎ তেলের দাম বৃদ্ধিতে ভাড়া ও পণ্যমূল্য বৃদ্ধি, অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কা।
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সড়ক ও নৌপরিবহনের ভাড়া বেড়েছে এবং বাজারে নিত্যপণ্যের দামও বাড়ার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে আগামী দিনগুলোতে পণ্যের দাম আরও বাড়তে পারে।
অর্থনীতিবিদ ও ভোক্তা অধিকারকর্মীরা সতর্ক করে বলেছেন, জ্বালানির সঙ্গে সব খাতের সম্পর্ক থাকায় এর মূল্যবৃদ্ধি পুরো অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এতে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়বে।
বাস ও রাইডশেয়ার চালকেরা বাড়তি ভাড়া নিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। কোথাও কোথাও যানবাহনের সংখ্যাও কম দেখা গেছে। বরিশালে সড়ক ও নৌপরিবহনে ভাড়া ১০ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ ভাড়া পুনর্নির্ধারণে জরুরি বৈঠক করেছে, তবে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। অন্যদিকে নৌযান মালিকরা ভাড়া ৪০ শতাংশের বেশি বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বালানির দাম বাড়লে পরিবহন ও উৎপাদন ব্যয় বাড়ে, যা প্রায় সব খাতেই প্রভাব ফেলে। এর ফলে সামগ্রিক অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
প্রথম আলো পত্রিকার খবর- তেলের মূল্যবৃদ্ধির পর সরবরাহ বাড়াল বিপিসি।
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পরও ভোগান্তি না কমায় সরবরাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন। অকটেন সরবরাহ ২০ শতাংশ এবং পেট্রল ও ডিজেল ১০ শতাংশ বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ফলে আজ থেকে পাম্পগুলোতে কিছুটা বাড়তি তেল পাওয়ার কথা।
তবে দাম বৃদ্ধির পরও মানুষকে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে হচ্ছে। সরকার বলছে, মজুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে, তবে বিশ্ববাজারে দামের ঊর্ধ্বগতির কারণে এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।
জ্বালানিমন্ত্রী আরও বলেন, বাড়তি দামে আমদানি করে মজুত তৈরি করা হয়েছে। এতে যে বাড়তি খরচ হয়েছে, তার থেকে কিছুটা সমন্বয় করা হয়েছে এখন।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার ২০২২ সালের আগস্টে জ্বালানি তেলের দাম একলাফে লিটারে ৩৪ থেকে ৪৬ টাকা বাড়িয়েছিল। তখন দ্রব্যমূল্য অনেকটা বেড়ে যায়।
দেশে জ্বালানি তেল আমদানি ও বিক্রির কাজটি করে সরকার। আমদানির সময় বিভিন্ন ধরনের শুল্ক-কর নেয় সরকার, যার হার ২০ থেকে ২৫ শতাংশ। বিক্রির সময়ও কর নেওয়া হয়। সব মিলিয়ে জ্বালানি তেল থেকে প্রতিবছর ১৩ থেকে ১৪ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব পায় সরকার। তেল বিক্রির মুনাফা থেকে লভ্যাংশ নেয় সরকার। বিপিসি এবং সংস্থাটির অধীনে পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা নামে তিনটি কোম্পানি ডিলারদের মাধ্যমে তেল বিক্রি করে। এ তিনটি কোম্পানিও নিয়মিত মুনাফা করে।
আজকের পত্রিকার খবর- ১২ কেজির এলপি গ্যাসের দাম ১৭ দিনে বাড়ল ৫৯৯ টাকা।
চলতি এপ্রিল মাসে দ্বিতীয় দফায় এলপি গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। নতুন ঘোষণায় ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ২১২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৯৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা সন্ধ্যা থেকেই কার্যকর হয়েছে। এ নিয়ে মাত্র ১৭ দিনের ব্যবধানে মোট দাম বেড়েছে ৫৯৯ টাকা।
তবে গ্রাহকদের অভিযোগ, নির্ধারিত দামের চেয়েও বেশি দামে গ্যাস কিনতে হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত মুনাফা ও দুর্বল তদারকির কারণে বাজারে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে বলে তারা দাবি করছেন।
বিইআরসি বলছে, জাহাজভাড়া ও ট্রেডার প্রিমিয়াম বেড়ে যাওয়ায় এই মূল্যবৃদ্ধি করা হয়েছে, যদিও কাঁচামালের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। সব মিলিয়ে এক মাসেই এলপি গ্যাসের দাম প্রায় ৪৪ শতাংশ বেড়েছে, যা সাধারণ মানুষের ব্যয় আরও বাড়াবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
যুগান্তর পত্রিকার খবর- জনজীবনে বড় ধাক্কা।
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পর দেশের অর্থনীতি ও জনজীবনে তাৎক্ষণিক নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। শিল্প, কৃষি ও সেবা খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে এবং পরিবহন ভাড়া বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ নিয়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ মালিক ও শ্রমিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছে, তবে এখনো ভাড়া নির্ধারণ হয়নি।
বাজারে নিত্যপণ্যের দাম বাড়তে শুরু করেছে এবং এক সপ্তাহের মধ্যে এর প্রভাব আরও স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, এতে মূল্যস্ফীতি বাড়বে এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাবে, ফলে সামগ্রিক অর্থনীতি আরও চাপে পড়বে।
এদিকে পেট্রোলপাম্পে দীর্ঘ লাইন ও তেলের সংকট আগের মতোই রয়েছে, ফলে দাম বাড়িয়েও ভোগান্তি কমেনি। অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি ও নীতিগত সিদ্ধান্তের কারণে এই চাপ তৈরি হয়েছে, যার সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের ওপর।
বণিক বার্তা পত্রিকার খবর- বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটে বিপর্যস্ত হতে পারে মোবাইল নেটওয়ার্ক।
দেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের কারণে মোবাইল নেটওয়ার্ক সেবা বড় ধরনের ঝুঁকিতে পড়েছে বলে সতর্ক করেছে অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশ (অ্যামটব)। তারা পরিস্থিতিকে গুরুতর উল্লেখ করে দ্রুত সরকারি হস্তক্ষেপ চেয়েছে।
সংগঠনটি জানায়, জ্বালানির অভাবে অনেক জায়গায় জেনারেটর চালানো যাচ্ছে না, ফলে বেস স্টেশন সচল রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। এ অবস্থায় নিরবচ্ছিন্ন টেলিযোগাযোগ সেবা বজায় রাখা সম্ভব নাও হতে পারে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন-কে চিঠি দিয়ে জরুরি সমন্বয় সভার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, লোডশেডিং বেড়ে যাওয়ায় মোবাইল অপারেটরদের প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ ডিজেল ও অকটেন প্রয়োজন হচ্ছে। তবে সরবরাহ সংকট, পরিবহন সমস্যা এবং বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে নেটওয়ার্ক স্থিতিশীলতা হুমকির মুখে পড়েছে।
কালের কণ্ঠ পত্রিকার খবর- 'অর্থকষ্টে' সরকার!
কাঙ্ক্ষিত রাজস্ব আয় না হওয়ায় সরকারের আর্থিক চাপ বেড়েছে এবং ঘাটতি পূরণে ঋণের ওপর নির্ভরতা বাড়ছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এর তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের আট মাসে প্রায় ৭১ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি তৈরি হয়েছে এবং লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় আয় উল্লেখযোগ্যভাবে কম।
এই পরিস্থিতিতে সরকার ব্যাংক থেকে রেকর্ড পরিমাণ ঋণ নিচ্ছে এবং উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকেও বড় অঙ্কের ঋণ চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বাড়ায় ভর্তুকি কমাতে দেশে জ্বালানির দাম বাড়াতে হয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, আয় কম হলেও সরকারি ব্যয় কমানো যাচ্ছে না, ফলে ঋণের চাপ বাড়ছে। এতে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহ কমে যেতে পারে, যা বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আরও ধীর হতে পারে।
নয়া দিগন্ত পত্রিকার খবর- খালেদা জিয়া প্রশ্নে সরকার ও বিরোধী দল এক কাতারে।
সংসদে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া-কে নিয়ে আবেগঘন বক্তব্য দিতে গিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্যে বিরল ঐকমত্য দেখা গেছে। পাবনা-৫ আসনের এমপি শামসুর রাহমান শিমুল বিশ্বাস তার বক্তব্যে খালেদা জিয়ার বিচার, কারাবাস ও রাজনৈতিক ভূমিকা তুলে ধরেন।
বক্তব্যের সময় সংসদে নীরবতা নেমে আসে এবং সময় শেষ হয়ে গেলে সরকার ও বিরোধী দল উভয় পক্ষের সদস্যরা একসঙ্গে তার বক্তব্যের সময় বাড়ানোর অনুরোধ জানান। পরে ডেপুটি স্পিকার সময় বাড়িয়ে দেন এবং এতে সবাই টেবিল চাপড়ে সমর্থন জানান।
শিমুল বিশ্বাস বলেন, খালেদা জিয়া দেশের ঐক্যের প্রতীক ছিলেন এবং একটি ন্যায্য সমাজ গঠনে তার অবদান রয়েছে। তিনি আরও বলেন, দেশের উন্নয়নে সরকার ও বিরোধী দলকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
মানবজমিন পত্রিকার খবর- আইএমএফের সব শর্তে একমত নয় সরকার।
অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল-এর সঙ্গে আগের সরকারের করা সব শর্ত বর্তমান সরকার মেনে নাও নিতে পারে। তিনি বলেন, নির্বাচিত সরকার হিসেবে দেশের স্বার্থ বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তিনি জানান, আইএমএফসহ অন্যান্য দাতা সংস্থার সঙ্গে আলোচনা চলমান রয়েছে এবং কিছু বিষয়ে অগ্রগতি হয়েছে, তবে কয়েকটি বিষয় এখনো আলোচনায় রয়েছে। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিকে অগ্রাধিকার দিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তহবিলের ওপর চাপ কমাতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক তুলনায় দাম খুব বেশি বাড়ানো হয়নি। মূল্যস্ফীতি বাড়বে কি না, তা এখনই নিশ্চিত নয়, তবে সরকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান আইএমএফ কর্মসূচির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ভবিষ্যতে নতুন করে কোনো কর্মসূচিতে যাওয়া হবে কি না, সে সিদ্ধান্ত সরকার নিজেই নেবে।
দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার খবর- chasing european dream, fraught with danger অর্থাৎ ইউরোপের স্বপ্নে ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রা, বাড়ছে বিপদ
ভালো জীবনের আশায় ইউরোপে যাওয়ার স্বপ্নে অনেক বাংলাদেশি এখনো ঝুঁকিপূর্ণ পথে পাড়ি দিচ্ছেন, যেখানে প্রতারণা, নির্যাতন ও মৃত্যুর ঝুঁকি রয়েছে। সুনামগঞ্জের তরুণ শাকিল আহমেদের মতো অনেকেই দালালের মাধ্যমে বিপুল টাকা খরচ করে লিবিয়ায় গিয়ে আটকে পড়ছেন, অনেকে দেশে ফিরলেও ঋণের বোঝা থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না।
তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে পৌঁছানোদের মধ্যে বাংলাদেশিদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ছিল। ২০২৬ সালের শুরুতেও এই প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। তবে লিবিয়ায় অনেক বাংলাদেশি আটক, নির্যাতন ও মানবপাচার চক্রের শিকার হচ্ছেন।
গবেষণায় দেখা গেছে, অধিকাংশই প্রতিশ্রুত কাজ পান না, অনেককে বন্দিশিবিরে রাখা হয় এবং শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়। বিপজ্জনক সমুদ্রপথে যাত্রাকালে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দালালদের প্রলোভন ও কর্মসংস্থানের অভাব এই ঝুঁকিপূর্ণ প্রবণতা বাড়াচ্ছে। বর্তমানে ইতালির পরিবর্তে অনেকেই লিবিয়া থেকে গ্রিসে যাওয়ার চেষ্টা করছেন, যা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
প্রধান খবর
নির্বাচিত খবর
পাঠকপ্রিয় খবর
ছবির কপিরাইট