মুশতাক আহমেদের মৃত্যু: ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ, ছাত্রদল-পুলিশ সংঘর্ষ

বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কারাবন্দী একজন লেখকের মৃত্যুর পর এই আইনের বিরুদ্ধে নতুন করে আন্দোলন শুরু হয়েছে। ঢাকায় এ রকম একটি কর্মসূচীতে পুলিশের সাথে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ হয়।

ছবির উৎস, SONY RAMANY/Getty

ছবির ক্যাপশান, বিরোধীদল বিএনপি'র ছাত্র সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের বিক্ষোভ সমাবেশ পুলিশ রবিবার লাঠিচার্জ করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। সংগঠনটি বাংলাদেশের বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবিতে ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ ডেকেছিল।

ছবির উৎস, NurPhoto/Getty

ছবির ক্যাপশান, পুলিশের লাঠিপেঠার মুখে বিক্ষোভকারীরা এক পর্যায়ে প্রেসক্লাবের ভেতরে আশ্রয় নেন। অভিযোগ করা হয়েছে, পুলিশ পরে প্রেসক্লাবের ভেতরে ঢুকে লাঠিচার্জ অব্যাহত রাখে।

ছবির উৎস, NurPhoto/Getty

ছবির ক্যাপশান, বিক্ষোভকারীরাও পুলিশের উপর হামলা চালায় বলে পুলিশের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।

ছবির উৎস, Pacific Press/Getty

ছবির ক্যাপশান, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিরুদ্ধে গত কয়েকদিন ধরেই আন্দোলন করছে বাংলাদেশের বিভিন্ন সংগঠন। এই আইনের বিরুদ্ধে সর্বশেষ দফার এই আন্দোলনের সূত্রপাত একজন কারাবন্দী লেখকের মৃত্যুর পর। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আটক হওয়ার প্রায় এক বছর পরে লেখক মুশতাক আহমেদ গত বৃহস্পতিবার মারা যান।

ছবির উৎস, SOPA Images/Getty

ছবির ক্যাপশান, আন্দোলনকারীরা মুশতাক আহমেদের প্রতীকী কফিন বহন করা ও গায়েবানা জানাজার মতো কর্মসূচীও পালন করেছে।

ছবির উৎস, Pacific Press

ছবির ক্যাপশান, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কিছু কিছু ধারা নিয়ে শুরু থেকেই বিতর্ক রয়েছে। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, ভিন্নমতাবলম্বীদের কণ্ঠরোধ করার একটি হাতিয়ার হিসেবেই এই 'কালাকানুন' ব্যবহার করছে সরকার। তবে সরকারের বক্তব্য, ডিজিটাল বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান সাইবার অপরাধ দমনের জন্যই এই আইনটি প্রনয়ণ করা হয়েছে।

ছবির উৎস, Pacific Press/Getty

ছবির ক্যাপশান, আন্দোলনকারীদের একটি প্লাটফর্ম তাদের বিক্ষোভ কর্মসূচীর শিরোনাম দিয়েছে 'জান ও জবানের স্বাধীনতা চাই'।