সাতক্ষীরা খুলনা অঞ্চলে ঢুকেছে ঘূর্ণিঝড় ফণী

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, সকল মাছধরা জেলে নৌকাকে সাগরে না যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে

ভোরে বাংলাদেশের সীমানায় প্রবেশ করলেও আবহাওয়া কর্মকর্তারা বলছেন এটি এখন আর অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় নেই।

ঢাকা আবহাওয়া অফিস থেকে আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম মল্লিক বিবিসি বাংলাকে বলেছেন ফণী এখন আর অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় নেই।

"এটি ভোর ছয়টা ঘূর্ণিঝড় আকারে সাতক্ষীরা, যশোর ও খুলনা অঞ্চল এবং এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় প্রবেশ করেছে। ধীরে ধীরে উত্তর ও উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ফলে দেশের প্রায় সর্বত্র আকাশ মেঘাচ্ছন্ন এবং বিভিন্ন স্থানে দমকা হওয়া সহ ঝড় বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হচ্ছে"।

বিবিসি সংবাদদাতা আকবর হোসেন মংলা থেকে জানাচ্ছেন ঝড়ের প্রভাবে সেখানে ভোর থেকে হালকা বাতাস বইতে শুরু করেছে ও বৃষ্টি হচ্ছে কোথাও কোথাও।

এদিকে আবহাওয়া অফিস থেকে সর্বশেষ যে বিশেষ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে তাতে বলা হয়েছে ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬২ কিলোমিটার যা দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

আর ঝড়ের প্রভাবে সাগর খুবই উত্তাল আছে এবং একই সাথে ঘূর্ণিঝড় ও অমাবস্যার প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চল জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, আশ্রয়কেন্দ্রে গতকালই অবস্থান নিয়েছেন অনেকে

ছবির উৎস, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর

ছবির ক্যাপশান, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঘূর্ণিঝড় সংক্রান্ত বিশেষ বিজ্ঞপ্তি

আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম আজাদ মল্লিক বলছেন ঘূর্ণিঝড়টি আজ সারাদিনই বাংলাদেশের মধ্যে অবস্থান করবে এবং বিকেল নাগাদ আরও দুর্বল হয়ে বাংলাদেশ ছেড়ে যাবে বলে আশা করছেন তারা। তবে ঝড়ের প্রভাবে বৃষ্টিপাতসহ সারাদেশে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া থাকবে।

ওদিকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ জানিয়েছে উপকূলীয় অঞ্চলে প্রায় বার লাখ মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়া হয়েছে।

ছবির ক্যাপশান, ঘূর্ণিঝড় ফণীর সম্ভাব্য গতিপথ