ভিনগ্রহের জীব ঠেকাতে নাসা 'প্ল্যানেটরি প্রটেকশন অফিসার' খুঁজছে

ছবির উৎস, ESA

ছবির ক্যাপশান, পৃথিবীকে ভিনগ্রহের জীবাণু দূষণ থেকে রক্ষায় এই ব্যবস্থা নিচ্ছে নাসা

পৃথিবীকে যেন ভিনগ্রহের জীব থেকে রক্ষা করা যায়, সেজন্যে 'প্ল্যানেটরি প্রটেকশন অফিসার' খুঁজছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা।

সুনির্দিষ্টভাবে বললে, এই প্ল্যানেটরি প্রটেকশন অফিসারের কাজ হবে পৃথিবী থেকে যেসব মানুষ এবং মহাকাশযান মহাকাশে যাচ্ছে, সেগুলো যেন কোন জীবদূষণের শিকার না হয়, সেটা দেখা।

তবে শুধু পৃথিবীকে রক্ষা করাই তার কাজ হবে না। পৃথিবীর জীব-জীবানু যেন আবার অন্য গ্রহে গিয়ে সেখানে দূষণ না ঘটায়, সেটাও তাকে দেখতে হবে।

এই পদে যিনি নিয়োগ পাবেন তার বেতন ধরা হয়েছে ১ লাখ ২৪ হাজার ৪০৬ ডলার থেকে ১ লাখ ৮৭ হাজারের মধ্যে।

কেবলমাত্র মার্কিন নাগরিকরা এই পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

তবে গ্রহগুলোকে দূষণ থেকে রক্ষার এই আইডিয়া একেবারে নতুন নয়। এর আগে জাতিসংঘ ১৯৬৭ সালেই এরকম একটি উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছিল।

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, অ্যাপোলো-১১ মিশনের নভোচারীদের সঙ্গে প্রেসিডেন্ট নিক্সনের একটি হাস্যোজ্জ্বল মূহুর্ত।

প্ল্যানেটরি প্রটেকশন অফিসারকে যেসব কাজ করতে হবে তার একটি হচ্ছে পৃথিবীর জীবজগতকে বাইরের দুনিয়ার জীবজগতের দূষণ থেকে রক্ষা করা - যদি ভিনগ্রহে সেরকম কোন জীবনের অস্তিত্ব থেকে থাকে।

বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীগুলোতে ভিন গ্রহের জীবন এসে পৃথিবীর প্রাণীজগৎ বিপন্ন হওয়ার এরকম অনেক কাহিনী রয়েছে।

তবে নাসার একজন উর্ধ্বতন বিজ্ঞানী ড: ক্যাথারিন কোনলি বলেছেন, তিনি মনে করেন পৃথিবীর প্রাণীজগতের জন্য বাইরের দূষণ যতটা না হুমকি, তার চাইতে মানুষই বরং অন্য গ্রহের জন্য বেশি হুমকি তৈরি করছে।

"আমরা যদি মঙ্গলগ্রহে প্রাণের সন্ধানে যাই, আর সেখানে ভুলক্রমে পৃথিবীতে থেকে আমাদের নিয়ে যাওয়া প্রাণই খুঁজে পাই, সেটা নিশ্চয়ই খুব হাস্যকর হবে।"

আরও পড়তে পারেন: