পোপ ফ্রান্সিস ৮৮ বছর বয়সে মারা গেছেন, বিশ্বনেতাদের শ্রদ্ধা
পোপ ফ্রান্সিস মারা গেছেন বলে ঘোষণা দিয়েছে ভ্যাটিকান। ২১শে এপ্রিল ইস্টারে ৮৮ বছর বয়সে ভ্যাটিকানের কাসা সান্তা মার্টায় নিজ বাসভবনে তিনি মারা যান। পোপের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন বিশ্বনেতারা। এছাড়া, দুর্নীতির অভিযোগে এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব তানভীরকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে দলটি। শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের ১০ সদস্যের জাতীয় পরিচয়পত্র 'লক' করা হয়েছে।
সরাসরি কভারেজ
'একজন ভালো এবং সংবেদনশীল মানুষ' পোপের প্রতি বিশ্বনেতাদের শ্রদ্ধা
ছবির উৎস, Reuters
ছবির ক্যাপশান, 'একজন ভালো এবং সংবেদনশীল মানুষ' পোপের প্রতি বিশ্বনেতাদের শ্রদ্ধা
পোপ ফ্রান্সিসের প্রতি বিশ্বনেতাদের শ্রদ্ধা জ্ঞাপন অব্যাহত রয়েছে।
ইউরোপীয়ান কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেইন বলেছেন, " পোপ তার নম্রতা ও কম ভাগ্যবানদের প্রতি পবিত্র ভালোবাসা দিয়ে ক্যাথলিক চার্চের বাইরেও লাখ লাখ মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছিলেন।"
পোপ ফ্রান্সিসের মৃত্যুতে "গভীরভাবে ব্যথিত" জানিয়ে শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
পোলিশ প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক পোপ ফ্রান্সিসকে একজন "ভালো, উষ্ণ এবং সংবেদনশীল মানুষ" হিসেবে স্মরণ করেছেন।
মিশরের প্রেসিডেন্ট আব্দুল ফাত্তাহ আল সিসি বলেছেন, পোপ ফ্রান্সিস "শান্তি, ভালোবাসা এবং করুণার কণ্ঠস্বর ছিলেন।"
স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ "সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ" মানুষের প্রতি পোপ ফ্রান্সিসের অঙ্গীকারের প্রশংসা করেছেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ একটি পোস্টে তিনি বলেছেন, "পোপ ফ্রান্সিসের মৃত্যুতে আমি শোকাহত। শান্তি, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের প্রতি তাঁর অঙ্গীকার এক গভীর দৃষ্টান্ত রেখে গেছে। শান্তিতে থাকুন।"
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের শ্রদ্ধা জ্ঞাপন, 'আমার হৃদয় ভেঙ্গে গেছে'
ছবির উৎস, Getty Images
পোপ ফ্রান্সিসের সাথে সাক্ষাতের দুইদিন পরই তার মৃত্যুতে শ্রদ্ধা জানাতে হলো যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস - প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সকে।
মি. ভ্যান্স বলেন, 'বিশ্বজুড়ে লাখ লাখ খ্রিস্টান যারা পোপকে ভালোবাসতেন, তাদের প্রতি আমার হৃদয় কাঁদে।"
মি. ভ্যান্স শুক্রবার রোমে পৌঁছেছিলেন। শনিবার ভ্যাটিকান কর্মকর্তাদের সাথে দেখা করেছিলেন তিনি।
পোপের সাথে সংক্ষিপ্ত একটি একান্ত সাক্ষাৎও করেছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট মি. ভ্যান্স।
শান্তিতে ঘুমান, পোপ ফ্রান্সিস: হোয়াইট হাউস
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে এক পোস্টে পোপের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।
পোস্টটিতে বলা হয়েছে, "শান্তিতে ঘুমান, পোপ ফ্রান্সিস"।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্পের সাথে পোপের সাক্ষাতের একটি ছবি এবং শনিবার জেডি ভ্যান্সের সাথে পোপের সাক্ষাতের আরেকটি ছবি এই পোস্টে দেয়া হয়েছে।
'শান্তির পক্ষের কণ্ঠস্বর ছিলেন পোপ', বিশ্বনেতাদের শ্রদ্ধা
বিশ্বনেতারা পোপ ফ্রান্সিসের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
ডাচ প্রধানমন্ত্রী ডিক স্কুফ বলেছেন, "পোপ ফ্রান্সিস সর্বোপরি জনগণের একজন মানুষ ছিলেন।"
ইউরোপীয়ান পার্লামেন্টের প্রেসিডেন্ট রবার্টা মেটসোলা পোপের হাসির প্রশংসা করে বলেছেন, "তার সংক্রামক হাসি বিশ্বজুড়ে লাখ লাখ মানুষের হৃদয় জয় করেছিল।"
ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগ পোপের "অসীম সহানুভূতিশীলতা ও করুণার" প্রশংসা করেছেন।
সুইস প্রেসিডেন্ট কারিন কেলার সাটার বলেছেন, পোপ ফ্রান্সিস একজন "মহান আধ্যাত্মিক নেতা, শান্তির জন্য অক্লান্ত একজন প্রবক্তা ছিলেন।"
স্কটিশ ফার্স্ট মিনিস্টার জন সুইনি পোপকে "শান্তি, সহনশীলতা এবং পুনর্মিলনের জন্য একটি কণ্ঠস্বর" হিসাবে বর্ণনা করেছেন।
পোপ ফ্রান্সিস ‘নম্র মানুষ’ ছিলেন: ম্যাক্রোঁ
ছবির উৎস, EPA
ছবির ক্যাপশান, পোপ ফ্রান্সিস ‘নম্র মানুষ’ ছিলেন: ম্যাক্রোঁ
পোপের প্রতি শ্রদ্ধা
জানানো বিশ্ব নেতাদের মধ্যে প্রথম ব্যক্তি ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রো
পোপকে নম্র মানুষ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
“ নম্রতার মানুষ, সবচেয়ে দুর্বল
এবং সবচেয়ে ভঙ্গুর ব্যক্তিদের পাশে থাকা” বলে পোপকে অভিহিত করেছেন প্রেসিডেন্ট
ম্যাক্রোঁ।
৮৮ বছর বয়সে ভ্যাটিকানের নিজ বাসায় মারা গেছেন পোপ ফ্রান্সিস
ছবির উৎস, Reuters
ছবির ক্যাপশান, ৮৮ বছর বয়সে ভ্যাটিকানের নিজ বাসায় মারা গেছেন পোপ ফ্রান্সিস
পোপ ফ্রান্সিস মারা গেছেন।
৮৮ বছর বয়সে তিনি মারা গেছেন বলে ঘোষণা দিয়েছে ভ্যাটিকান।
এক বিবৃতিতে ভ্যাটিকান
জানিয়েছে, ২১শে এপ্রিল ইস্টার সোমবার ৮৮ বছর বয়সে ভ্যাটিকানের কাসা সান্তা মার্টায়
নিজ বাসভবনে মারা যান তিনি।
পোপ ষোড়শ বেনেডিক্ট
পদত্যাগ করার পর ২০১৩ সালের মার্চে কার্ডিনাল জর্জ মারিও বার্গোগ্লিও ক্যাথলিক চার্চের
নেতৃত্বের জন্য নির্বাচিত হন।
জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামের মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাসের আবেদনের শুনানি কাল
ছবির উৎস, JAMAAT-E- ISLAMI/FACEBOOK
ছবির ক্যাপশান, জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামের আপিল আবেদন কার্যতালিকায় আসবে কাল
মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস চেয়ে জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলামের করা আপিল শুনানির জন্য আগামীকাল কার্যতালিকায় আসবে বলে আদেশ দিয়েছে আপিল বিভাগ।
আপিল শুনানি শুরুর আবেদনের প্রেক্ষাপটে জ্যেষ্ঠ বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীসহ তিন বিচারপতির আপিল বিভাগ আজ এই আদেশ দেন।
একাত্তরে মানতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ২০১৪ সালের ৩০শে ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ টি এম আজহারুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড দেয়।
এই রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিল শুনানির পর ২০১৯ সালের অক্টোবরে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে আপিল বিভাগ।
পরবর্তীতে আপিল বিভাগের রায় রিভিউ চেয়ে ২০২০ সালের ১৯শে জুলাই আবেদন করেন এ টি এম আজহারুল ইসলাম।
জুলাই আন্দোলনে গুলি করে হত্যার ঘটনায় সাবেক পুলিশ কমিশনারসহ আটজনের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন
ছবির উৎস, TV GRAB
ছবির ক্যাপশান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম
পাঁচই অগাস্ট রাজধানীর চানখাঁরপুলে
গণহত্যা ও শিক্ষার্থী আনাস হত্যা মামলায় ডিএমপির সাবেক পুলিশ কমিশনার হাবিবুরসহ আটজনকে অভিযুক্ত করে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন
দাখিল করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।
জুলাই এর গণ অভ্যুত্থানের
ঘটনায় এটিই প্রথম পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দেওয়া হলো।
চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম
বলেন, “এই অপরাধে যারা ক্ষমতার শীর্ষ বিন্দুতে থেকে
তাদের ক্ষমতায় থাকাটাকে চিরস্থায়ী করার জন্য বৈধ এবং অবৈধ প্রক্রিয়ায় জড়িত ছিল, তারা সরকারি
বাহিনীগুলোকে ব্যবহার করে মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছেন।”
বিভিন্ন বাহিনীর কিছু কর্মকর্তা,
কিছু সরকারি কর্মচারী এই অপরাধ সংগঠনে সরাসরি পরিকল্পনা, প্রস্তুতি, আদেশ এবং
সরাসরি সম্পৃক্ততার মাধ্যমে তাদের সংশ্লিষ্টতা তদন্তে পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন
মি. ইসলাম।
পাঁচই অগাস্টে চানখাঁর পুল এলাকায়
ছয়জন ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তদন্ত শেষ হয়েছে বলে জানান
তিনি।
এ মামলার আট আসামির মধ্যে ডিএমপির
সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, রমনা জোনের
সাবেক এডিসি শাহ আলম মো. আক্তারুল ইসলাম ছাড়াও অন্যরা রয়েছেন।
এই আটজনের মধ্যে সিনিয়র কর্মকর্তাদের
বিরুদ্ধে নির্দেশ ও যারা সরাসরি গুলি করে হত্যা করেছে তাদের বিরুদ্ধে ভিডিওসহ
অন্যান্য প্রমাণাদি পাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়েছে।
মি. ইসলাম জানান, প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পুলিশের আইজিপির বিরুদ্ধেও অপরাধে সম্পৃক্ততার
তথ্য এসেছে। কিন্তু যেহেতু তাদের বিরুদ্ধে আলাদাভাবে তদন্ত বিচারাধীন আছে এবং
সম্মিলিতভাবে তাদের বিরুদ্ধে একটাই চার্জশীট দেয়া হবে, সেজন্য তাদের উপস্থিত করানো
হয়নি।
দুটি অডিও রেকর্ড জমা দেয়া
হয়েছে। এর মধ্যে শেখ হাসিনার কল রেকর্ড রয়েছে বলে জানিয়েছেন মি. ইসলাম।
প্রাইম এশিয়া ইউনিভার্সিটির ছাত্র হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার তিন জন
প্রাইম এশিয়া ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম পারভেজ হত্যার ঘটনায় তিন জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
তিনি বলেন, “তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মারধরের সাথে তাদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। অন্য আরও মানুষ এসএমএসের মাধ্যমে
তারা ডেকে এনেছে সিসিটিভির ফুটেজে সেটাও পাওয়া গেছে।”
তারা হলেন মো. আল কামাল শেখ ওরফে কামাল,
আলভী হোসেন জুনায়েদ এবং আল আমিন সানি।
এই তিন জন বিশ্ববিদ্যালয়ের
শিক্ষার্থী কী না, সে বিষয়ে কিছু বলতে রাজী হননি এই পুলিশ কর্মকর্তা।
বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে বলে
জানান মি. সারোয়ার।
সাংবাদিকদের কাছে পুলিশের
পাঠানো এক খুদে বার্তায় জানানো হয়েছে, আসামিরা ওই ঘটনার সময়
ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল এবং তারা হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত ছিল বলে সাক্ষ্য প্রমাণ
পাওয়া গেছে। সিসি টিভি ফুটেজেও তাদের উপস্থিতি দৃশ্যমান রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মহাখালী ওয়ারলেছ
গেইট এলাকাসহ আশেপাশের এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আসামিদের গত রাত সোয়া বারোটায়
গ্রেপ্তার করা হয়।
আসামিরা মামলার এজাহারনামীয় ও ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য
অজ্ঞাতনামা পলাতক আসামিদেরকে চেনে এবং তাদের অবস্থান সম্পর্কে জানে বলেও জানিয়েছে
পুলিশ।
নিহত
মি.
পারভেজ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়টির টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং
বিভাগের ২২৩ ব্যাচের শিক্ষার্থী।
গত শনিবার বিকেল সাড়ে চারটায় ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্সের দুই
ছাত্রীকে নিয়ে হাসাহাসি করার অভিযোগে মি. পারভেজের সাথে তর্কাতর্কি হয় তারই
বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থীর। এ বিষয়ে মীমাংসা করতেও বসে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
তবে পরে প্রাইম
এশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বনানী ক্যাম্পাস
থেকে বের হওয়ার পর প্রশাসন ভবনের গেটের সামনে ১০ –
১৫ জন মিলে শিক্ষার্থী পারভেজকে
পিটিয়েছে। এ সংক্রান্ত সিসিটিভির ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচিত
হয়।
ওই
ফুটেজে দেখা যায়, মারধরের এক পর্যায়ে ঐ শিক্ষার্থী প্রশাসন ভবনের ভেতরে
ঢোকার চেষ্টা করার সময় একজন তাকে ছুরিকাঘাত করে ।
এক পর্যায়ে প্রশাসন
ভবনের দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তা কর্মীরা ঐ শিক্ষার্থীকে ভেতরে ঢুকিয়ে কলাপসিবল গেট
বন্ধ করে দেন। এরপর হামলাকারীরা চলে যায়। হাসপাতালে নেওয়ার পর
পারভেজের মৃত্যু হয়।
এ হত্যার ঘটনায় তার ভাই
হুমায়ুন কবির বাদী হয়ে আট জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেছেন।
ছবির উৎস, ARJU AHMAD/FACEBOOK
ছবির ক্যাপশান, প্রাইম এশিয়া ইউনিভার্সিটির ছাত্র হত্যার ঘটনা ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।