ডাকসু নির্বাচনে ভিপি, জিএস ও এজিএস পদে শিবির সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থীদের বড় জয়
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ভিপি পদে বিজয়ী হয়েছেন শিবির সমর্থিত প্রার্থী সাদিক কায়েম। সেই সাথে জিএস, এজিএস ও অন্যান্য পদেও বড় জয় পেয়েছে শিবির সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থীরা। কাতারে ইসরায়েলি হামলায় হামাস নেতারা অক্ষত থাকলেও ছয়জন নিহত হয়েছেন বলে হামাসের দাবি। নেপালের জেনজি-দের বিক্ষোভের মুখে পদত্যাগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি। চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায়...
ছবির ক্যাপশান, পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি
নেপালে বিক্ষোভ আর ১৯ জনের মৃত্যুর ঘটনার পর পদত্যাগ করেছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি।
রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো পদত্যাগ পত্রে প্রধানমন্ত্রী ওলি লিখেছেন, সাংবিধানিক পথে সংকটের সমাধানের পথ তৈরির জন্য তিনি পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
মঙ্গলবার সকাল থেকেও নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু এবং অন্যান্য শহরেও বিক্ষোভ করতে শুরু করেছে বিক্ষুব্ধ প্রতিবাদকারী।
নেপালের প্রধানমন্ত্রী ওলি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবাসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙ্গচুরের ঘটনা ঘটেছে।
নেপালের প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের আগে দেশটির জোট সরকারের সহযোগী দলের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী সরকার থেকে পদত্যাগ করেন।
ফয়ার সার্ভিস জানিয়েছে, সোমবার বিক্ষোভে ১৯ জন নিহত হওয়ার পরে মঙ্গলবার সকালে আরো দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।
নেপালে আজও চলছে বিক্ষোভ, রাজনৈতিক নেতাদের বাসায় হামলা
ছবির উৎস, Reuters
ছবির ক্যাপশান, নেপালের সরকারবিরোধী বিক্ষোভ
নেপালে আজও বিক্ষোভ চলছে। দুর্নীতিবিরোধী বিক্ষোভকারীরা দ্বিতীয় দিনের মতো রাস্তায় নেমেছেন।
শহরের কিছু অংশে অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ জারি থাকা সত্ত্বেও বিক্ষোভকারীরা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবাসহ দেশটির বেশ কয়েকজন নেতার বাড়িতে হামলা চালান।
এর আগে সোমবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম খুলে দেওয়া এবং প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ হয়।
পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে অন্তত ২১ জন নিহত ও কয়েকশো মানুষ আহত হয়েছেন।
এদিকে আজও কাঠমান্ডুর রাস্তায় নামেন বিক্ষোভকারীরা। বেলা বাড়ার থাকার সঙ্গে সঙ্গে রাস্তায় বিক্ষোভকারীর সংখ্যাও বাড়ে।
পার্লামেন্ট ভবনের বাইরে জড়ো হন অনেক বিক্ষাভকারী। তাদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করতে গিয়ে কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে সশস্ত্র পুলিশ।
জরিপ বিভাগের ভবনের বাইরের অংশে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং ধোঁয়ার মেঘে আশেপাশের এলাকা ভরে গেছে।
এদিকে বিক্ষোভ শুরুর পর এ পর্যন্ত তিন জন মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন।
সোমবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখক পদত্যাগ করেছিলেন। এরপর কৃষি ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী রাম নাথ অধিকারী এবং পানি সরবরাহ বিভাগের মন্ত্রী প্রদীপ ইয়াদভ পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।
আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ নাকচ ছাত্রদলের
ছবির উৎস, Screengrab
ছবির ক্যাপশান, ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান
ডাকসু নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের সহসভাপতি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান।
এর আগে মি. খানের বিরুদ্ধে ইসলামি ছাত্র শিবির সমর্থিত প্যানেল আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আবিদুল ইসলাম খান বলেছেন, তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি নিয়েই কেন্দ্রে ঢুকেছেন।
ডাকসুর নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী, "নির্বাচনী কর্মকর্তা-কর্মচারী, প্রার্থী, পোলিং এজেন্ট, রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক অনুমোদিত ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কেউ ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবে না।"
অর্থাৎ আচরণবিধি অনুযায়ী একজন প্রার্থী ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন।
মি. খান উল্টো অভিযোগ করেন, প্যানেল প্রধান হিসেবে ভোটকেন্দ্রগুলোতে যেটুকু প্রবেশাধিকার থাকার কথা, সেটাও তিনি পাচ্ছেন না।
"এখন পর্যন্ত রোকেয়া হলের টিএসসি যে কেন্দ্র সেখানে আমি এক্সেস পাইনি, উদয়নের কেন্দ্রে এক্সেস পাইনি।”
এছাড়া, ছবি দিয়ে লিফলেট বিতরণের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, ৪১জনকে ভোট দিতে হওয়ায় অনেকে সেটা ভুলে যেতে পারেন। তাই ছবিসহ এটি ছাপানো হয়েছে।
অন্যরাও এমনটা করেছেন বলে দাবি করেন তিনি।
“এটা নিয়ে আমরা চিফ রিটার্নিং অফিসারের সাথে কথা বলেছি। সেখান থেকে কোনো বাধা আসেনি।”
এছাড়া আবিদ-হামীম প্যানলের পোলিং এজেন্টের সংখ্যা এত কম কেন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বা নির্বাচন কমিশন প্রতি কেন্দ্রে একজন করে পোলিং এজেন্ট থাকতে পারবে বলে তাদের জানিয়েছিলেন।
“পরে হঠাৎ সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে তারা জানিয়েছেন এক প্যানেলের আটজন থাকতে পারবে।”
তবে, মি. খান জানিয়েছেন, নানা বিষয়ে অনেক ধরনের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় রাখতে, প্রকাশ্যে অভিযোগ না করে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছেন তারা।
এক পোলিং অফিসারকে অব্যাহতি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয়
ছাত্র সংসদ বা ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত এক পোলিং অফিসারকে অব্যাহতি
দেওয়ার কথা জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ
দফতর থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়, কার্জন হলের দ্বিতীয় তলায় অমর একুশে হলের ভোটকেন্দ্রে
একজন শিক্ষার্থীকে 'অনিচ্ছাকৃতভাবে' দুইটি ব্যালট পেপার দেওয়ার ঘটনায় সংশ্লিষ্ট পোলিং
অফিসার জিয়াউর রহমানকে তাৎক্ষণিকভাবে নির্বাচনি দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
বিষয়টি যে অনিচ্ছাকৃত ভুল
তা অভিযোগকারী ভোটারও বুঝতে পারেন, তারপরও ঘটনা জানার সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসন বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে
নিষ্পত্তি করে–– বলা হয়েছে এতে।
সাদিক-ফরহাদের নামের পাশে টিক দেয়া একটি ব্যালট পাওয়ার অভিযোগ
ডাকসু নির্বাচনে একজন ভোটারের ব্যালটে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থী সাদিক কায়েম এবং এসএম ফরহাদের নামের পাশে টিক চিহ্ন দেয়া ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর একে এম নুরে আলম।
এর আগে, কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ক্যারিয়ার উন্নয়ন সম্পাদক পদে স্বতন্ত্র
প্রার্থী রুপাইয়া শ্রেষ্ঠা তঞ্চঙ্গা অভিযোগ করেন,
একজন ভোটারের ব্যালটে ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রার্থী সাদিক কায়েম এবং ফরহাদের নামের
পাশে টিক চিহ্ন দেয়া ছিল বলে একজন শিক্ষার্থী তাদের জানিয়েছেন।
তবে, যে শিক্ষার্থী এই অভিযোগ করেছেন, তার সাথে বিবিসি কথা বলতে পারেনি।
সহকারী প্রক্টর একে এম নুরে আলম জানিয়েছেন, 'টিক দেয়া ব্যালট পেয়েছেন' বলে অভিযোগ করা শিক্ষার্থীকে পরে আরেকটি ব্যালট পেপার দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ- বাগছাসের প্রার্থী আবুল বাকের মজুমদার 'ইলেকশন
ইঞ্জিনিয়ারিং'য়ের অভিযোগ করেছেন।
তিনি দাবি করেন, অমর একুশে হলের ভোটারদের ব্যালট বাক্স
আগে থেকে ভর্তি ছিল।
এদিকে, ভোটের পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তুষ্টির কথা জানিয়েছেন প্রতিরোধ পর্ষদের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী
মেঘমল্লার বসু।
তিনি বলেন, “ভোট কারচুপির সিরিয়াস এলেগেশন
পেয়েছি। করণীয় ঠিক করতে দ্রুত বৈঠকে বসছি আমরা। এরপরই পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাবো।”
তৃণমূল ছাত্র পরিষদের বিরুদ্ধে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবি পোড়ানোর অভিযোগ
ছবির উৎস, SHAMIK BHATTACHARYA/FACEBOOK
ছবির ক্যাপশান, তৃণমূল ছাত্র পরিষদের বিক্ষোভ কর্মসূচির সময় তোলা
পশ্চিমবঙ্গের মালদহের চাঁচলে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্যদের
বিরুদ্ধে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবি পোড়ানোর অভিযোগ উঠেছে।
এই ঘটনার ভিডিও
সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। বিষয়টা প্রকাশ্যে
আসার পর শুরু হয় সমালোচনা।
দিন কয়েক আগে, ভিন্ন
রাজ্যে বাংলাভাষী শ্রমিকদের হেনস্থার প্রতিবাদের জন্য তৈরি ধর্মতলায়
তৃণমূলের ধর্নামঞ্চ খুলে দিয়েছিল সেনাবাহিনী। ওই ঘটনায় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন তৃণমূল
ছাত্র পরিষদের সদস্যেরা।
জানা গেছে, বিজেপিকে বাঙালিদের ঐতিহ্যের কথা মনে
করিয়ে দিতে মনীষীদের ছবি সঙ্গে ছিল সদস্যদের হাতে।
বিক্ষোভ কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয়
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ছবি জ্বালানো হয়। অভিযোগ, সেই সময় ছাত্র
পরিষদের সদস্যরা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরেরও ছবি পুড়িয়ে দেয়। এই ঘটনাকে প্রকাশ্যে আসার
পর সমালোচনা শুরু হয়।
এই প্রসঙ্গে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের জেলা সভাপতি প্রসূন রায় বলেন, "কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা-গান পড়ে বড় হয়েছি। যদি কেউ এ ধরনের
ঘটনা ঘটিয়ে থাকেন, ভুলবশত হলেও যদি কেউ এ কাজ করেন, আমরা পদক্ষেপ
নেব।"
পরে ছাত্র পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে সদস্যের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তার
বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, এই ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি নেতারা। শুভেন্দু অধিকারীর
নেতৃত্বে বিজেপি কর্মীরা রবীন্দ্র সদন পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল করেন। কিন্তু তাদের
প্রবেশ করতে না দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
অব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনের নীরব ভূমিকার অভিযোগ প্রার্থীদের
ডাকসুর ভোটে অব্যবস্থাপনা এবং ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে অবহেলার অভিযোগ তুলেছেন স্বতন্ত্র ঐক্যজোটের ভিপি প্রার্থী উমামা ফাতেমা।
গণমাধ্যমকে
তিনি বলেন, “অব্যবস্থাপনার অভিযোগ আমরা পেয়েছি। আমরা কিন্তু বারবার সতর্ক করেছি
যাতে তারা সতর্কতার সাথে এই পদক্ষেপগুলো নেন।”
অন্যদিকে
ছাত্রশিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের জিএস প্রার্থী এস এম ফরহাদ তাদের
পোলিং এজেন্টকে বের করে দিয়ে ছাত্রদলের পোলিং এজেন্টকে এক্সেস দেওয়ার অভিযোগ
তুলেছেন।
এ ধরনের
আচরণকে ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “ইমিডিয়েট অ্যাকশন না নিয়ে প্রশাসনের নীরব ভূমিকা দুঃখজনক”।
এরমধ্যে
ভোট দিয়েছেন বামপন্থি কয়েকটি সংগঠনের প্রতিরোধ পর্ষদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) প্রার্থী
মেঘমল্লার বসু। নির্বাচনে প্রগতির পক্ষের লোকেরা
জয়ী হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।
বসু
জানান, গতবারের ডাকসু নির্বাচনে ছয় ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে
থেকেও ভোট দিতে পারেননি।
কিন্তু এবার তেমন কিছু মুখোমুখি হতে হয়নি।
ভোট
দেওয়ার অধিকার পাওয়াকে জুলাই অভ্যুত্থানের অর্জন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। একইসাথে
ভোটারদের সবাইকে নির্বাচনে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
একই
আহ্বান জানিয়েছেন জিএস পদের প্রার্থী এস এম ফরহাদও। তিনি বলেন, “শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করবো ভোট
দিতে। আমরা যে পরিবেশ দেখাবো, বাংলাদেশ সে পথে এগোবে”।
অন্যদিকে এবার ভোটাররা অনেক বেশি সচেতন বলে মন্তব্য করেছেন
উমামা ফাতেমা। পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার জন্য ভোটাররা লিস্ট করে
এনেছেন বলেও সাংবাদিকদের জানান তিনি।
তিন ঘণ্টায় ৪৫ শতাংশ ভোট পড়েছে সুফিয়া কামাল হলের
কবি সুফিয়া কামাল হলের শিক্ষার্থীদের ভোটকেন্দ্র ভূতত্ত্ব
বিভাগের কেন্দ্রে সকাল আটটা ২০ থেকে ১১টা ২০ পর্যন্ত তিন ঘণ্টায় প্রায় ৪৫ শতাংশ ভোট পড়েছে
বলে জানিয়েছেন নির্বাচনি কর্মকর্তারা।
কেন্দ্রটিতে বার বার মাইকিং করা হয় যে ১০০ মিটারের মধ্যে প্রার্থীরা ক্যাম্পেইন করতে
পারবেন না।
কিন্তু সকাল থেকে ভোট শুরু হওয়ার পর থেকে ছাত্রদলের
ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান দুইবার এখানে ক্যাম্পেইন করে গেছেন।
ভোটকেন্দ্রে ঢোকার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। যদিও
তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
অন্যদিকে স্বতন্ত্র জোট থেকে ভিপি পদে দাঁড়ানো উমামা ফাতেমাও দুইবার কেন্দ্রটিতে ঘুরে গেছেন।
ইসলামী ছাত্র শিবির সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থী সাদিক কায়েম হলের দুই
নারী প্রার্থীকে পাশে নিয়ে বলেন, ভূমিধস বিজয় হবে ঐক্যবদ্ধ প্যানেলের। কিছু কিছু
কেন্দ্রে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেন কায়েম।
বেলা ১১টা নাগাদ ভোটারদের লাইন ছোট হতে থাকে।
ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ সাদিক কায়েমের
ভোটকেন্দ্রের পাশে লিফলেট বিতরণ করে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল
আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছে বলে অভিযোগ তুলেছেন ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েম।
তবে তা অস্বীকার
করেছে ছাত্রদল। তাদের দাবি, লিফলেট না, বিতরণ করা হচ্ছে ভোটার স্লিপ।
ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির বলেছেন, কেন্দ্রের
১০০ মিটারের মধ্যে ভোটার স্লিপ বিতরণ করলে আচরণবিধি লঙ্ঘন হতো।
ছাত্রদল যে ভোটার
স্লিপ বিতরণ করছে তা কেন্দ্র থেকে ১০০ মিটার দূরে দেওয়া হচ্ছে।
'আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে ব্যবস্থা'
ছবির উৎস, Md.Muhaiminul Islam
ছবির ক্যাপশান, ডাকসু নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক এস এম শামীম রেজা
স্বতঃস্ফূর্ত পরিবেশে ডাকসু নির্বাচনে শিক্ষার্থীরা অংশ নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক এস এম শামীম রেজা।
ভোটের সময় শুরুর অনেক আগেই শিক্ষার্থীরা কেন্দ্রে গেছেন এবং ভোর শুরু করার আগে ফাঁকা ব্যালট বাক্স মিডিয়া ও পোলিং এজেন্টকে দেখানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।
বেলা সাড়ে ১০টা পর্যন্ত “১৫ শতাংশের মতো ভোট পড়েছে” জানিয়ে তিনি বলেন, “শিক্ষার্থীদের উৎসাহের কোনো ঘাটতি নেই। সবাই লাইনে আছে। ছোটোখাটো কিছু অভিযোগ-অনুযোগ তো আছেই।”
আচরণবিধির বিষয়ে অধ্যাপক রেজা বলেন, “কেউ কেউ আমাদের বাইরের পরিবেশের কথা বলেছেন, সেটা আমরা অবহিত আছি। আমরা জানাচ্ছি। আর আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে ভোটকেন্দ্রের ভেতরে কেউ সেটা করছেন না।”
আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ ছাত্রদলের বিরুদ্ধে, ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না অভিযোগ আবিদের
ছবির উৎস, Md. Muhaiminul Islam
ছবির ক্যাপশান, ভোটের দিন ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থীদের ব্যালট বিতরণের অভিযোগ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল
সংসদ নির্বাচনে শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রে স্থাপিত ভোট কেন্দ্রে জগন্নাথ হলের
শিক্ষার্থীরা যে অংশে ভোট দিচ্ছেন, সেখানে সকাল সাড়ে আটটার দিকে প্রবেশ করেছেন ছাত্রদল
প্যানেলের সহ-সভাপতি (ভিপি) পদপ্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান।
এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, প্রার্থীদের
জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কোনো কার্ড করেনি। সে কারণে তাকে মেয়েদের হলের ভোটকেন্দ্রে
প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।
ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা কাজী
মোস্তাক গাউসুল হক জানান, "প্রার্থীদের ভোট কেন্দ্রে প্রবেশের কোনো সুযোগ নেই।
আমি জহুরুল হকের কেন্দ্রে ছিলাম। বিষয়টি জানি না। খোঁজ নিয়ে দেখছি।"
পরবর্তীতে জগন্নাথ হলের ভোট কেন্দ্র থেকে কাজী মোস্তাক
গাউসুল হক বলেন, "আমি এখানে আসার পর কাউকে পাইনি। আর কেউ ঢুকতে পারবে না।"
তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দেওয়া ভোটের আচরণবিধিতে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশাধিকারের বিষয়ে বলা আছে, ভোটাররা নিজ নিজ হলের বৈধ পরিচয়পত্র প্রদর্শন করে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করবে।
এছাড়া নির্বাচনি কর্মকর্তা-কর্মচারী, প্রার্থী, পোলিং এজেন্ট, রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক অনুমোদিত ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কেউ ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবে না। ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা তাদের নির্ধারিত স্থানে অবস্থান করবেন।
আবিদুল ইসলাম খান দাবি করেছেন, তিনি অনুমতি নিয়েই ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করেছেন।
এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ - ডাকসু ও হল
সংসদ নির্বাচনে ছাত্রদলের বিরুদ্ধে ভুয়া বুথ বসানোর অভিযোগ দিয়েছে সাহিত্য ও
সংস্কৃতি সম্পাদক পদপ্রার্থী মুসাদ্দিক আলী ইবনে মুহাম্মদ।
মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের উদয়ন উচ্চ
মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এসে এই অভিযোগ করেন তিনি।
মুসাদ্দিক বলেন, ছাত্রদল
এখানে বুথ বসিয়ে ভোটারদের বিভিন্ন তথ্য দিচ্ছে ও লিফলেট বিতরণ করছে।
তারা বলছে এগুলো ভোটারদের তথ্য, কিন্তু
ভোটারদের তথ্য হলে এখানে ভোটারদের নাম লেখা থাকতো, প্রার্থীদের না।
“তারা যা করছে তার মাধ্যমে নির্বাচনি পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে।
আমরা নির্বাচন কমিশনারকে আহ্বান জানিয়েছি অতিদ্রুত ব্যবস্থা নিতে। যদি ব্যবস্থা
গ্রহণ না করা হয়, তাহলে বুঝবো নির্বাচন কমিশন ছাত্রদলকে ফেভার দিচ্ছে”, অভিযোগ
করেন তিনি।
ভোটাররা কেমন দেখছেন ভোটের পরিবেশ
ছবির ক্যাপশান, ডাকসু ভোটার হুমায়রা আঞ্জুম
উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দেওয়ার কথা জানাচ্ছেন ডাকসুর ভোটাররা।
বিশ্ববিদ্যালয়টির ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হুমায়রা
আঞ্জুম বিবিসি বাংলাকে বলেন, “প্রথমবার
ভোট যেহেতু, এক্সপেরিয়েন্স অনেক সুন্দর। খুব অর্গানাইজ
ওয়েতে ভোট নেওয়া হচ্ছে”।
তবে ৪১টি ভোট দেওয়ার জন্য সময় কিছুটা কম বলে জানান এই শিক্ষার্থী।
একই কেন্দ্র কার্জল হলের ভোটার রুবাইয়া বারী মোহনা বলছেন, “আমি এর আগে জাতীয় নির্বাচনে ভোট দেই
নাই, এটা আমার জীবনের প্রথম ভোট। তো এক্সপেরিয়েন্স
অনেক ভালো”।
সূর্য সেন হলের শিক্ষার্থী সোবহান হৃদয় বলেন, “শান্তিপূর্ণ পরিবেশ আছে। নির্বাচনের
পুরোটা সময় যদি এমন থাকে, তাহলে
আশা করছি একটি ঐতিহাসিক ডাকসু আমাদের এখানে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে”।
ভোট দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা, কেন্দ্র ঘুরে দেখছেন প্রার্থীরা
ডাকসু নির্বাচনের আটটি কেন্দ্রেই ভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদের দীর্ঘ সারি দেখা যাচ্ছে। সকাল আটটায় ভোট শুরুর আগে থেকেই ভোটাররা আসতে শুরু করেন কেন্দ্রগুলোতে। নির্বাচনে বিভিন্ন পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীরাও ভোটকেন্দ্রগুলো ঘুরে দেখছেন।
ভোটের দিনের চিত্র দেখুন ছবিতে...
ছবির ক্যাপশান, সুফিয়া কামাল হলে ভোট দেওয়ার জন্য লাইনে অপেক্ষারত শিক্ষার্থীরা
ছবির ক্যাপশান, উদয়ন স্কুলের ভোটকেন্দ্রে ছাত্রদের দীর্ঘ লাইন
ছবির ক্যাপশান, কেন্দ্র ঘুরে দেখছেন ছাত্রদল সমর্থিত ভিপি আবিদুল ইসলাম খান
ছবির ক্যাপশান, কেন্দ্র ঘুরে দেখছেন ছাত্রশিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী প্যানেলের ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েম ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েম
ছবির ক্যাপশান, সোয়া নয়টার দিকে কবি সুফিয়া কামাল হলের ভোটকেন্দ্র ভূতত্ত্ব বিভাগের কেন্দ্রে আসেন ভিপি পদের স্বতন্ত্র প্রার্থী উমামা ফাতেমা
ছবির ক্যাপশান, ভোটের দিন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখতে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গায় মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ
ভিপি-জিএস পদে আলোচিত প্রার্থীরা কে কোথায় ভোট দেবেন
ছবির ক্যাপশান, ভোটকেন্দ্র ঘুরে দেখছেন ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ - ডাকসু
নির্বাচনের প্রার্থীরা যার যার হল অনুযায়ী নির্দিষ্ট কেন্দ্রে ভোট দেবেন।
এদের মধ্যে ছাত্রদল সমর্থিত ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান, ইসলামী ছাত্র শিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী প্যানেলের ভিপি প্রার্থী
সাদিক কায়েম এবং জিএস প্রার্থী এস এম ফরহাদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে
শিক্ষার্থী।
এই প্রার্থীরা সবাই উদয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে
ভোট দেবেন।
ছাত্রদলের জিএস পদপ্রার্থী শেখ তানভীর বারী হামিম কবি
জসিমউদ্দীন হলের শিক্ষার্থী। এই হলের কেন্দ্রেই ভোট দেবেন তিনি।
বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ - বাগছাসের ভিপি প্রার্থী আব্দুল
কাদের, স্বতন্ত্র ভিপি প্রার্থী শামীম
হোসেন এবং শিবির প্যানেলের এজিএস পদপ্রার্থী মহিউদ্দিন খান বিজয় একাত্তর হলের
শিক্ষার্থী। তারা সবাই সিনেট ভবন কেন্দ্রে ভোট দেবেন।
প্রতিরোধ পর্ষদের জিএস প্রার্থী মেঘ মোল্লার বসু জগন্নাথ
হলের শিক্ষার্থী। তিনি ভোট দেবেন শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রে।
বাগছাসের জিএস পদপ্রার্থী আবু বাকের মজুমদার ওমর একুশে
হলে শিক্ষার্থী। তিনি কার্জন হল কেন্দ্রে ভোট প্রদান করবেন।
স্বতন্ত্র ভিপি প্রার্থী উমামা ফাতেমা কবি সুফিয়া কামাল
হলে শিক্ষার্থী। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগ কেন্দ্রে ভোট দেবেন।
ডাকসু ভোটারদের সুবিধার্থে চলবে চক্রাকার শাটল
শিক্ষার্থীদের নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে পৌঁছানোর লক্ষ্যে ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিশেষ চক্রাকার শাটল সার্ভিস চালু রাখার সিদ্ধান্ত
নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ভোটারদের
সহজ যাতায়াত নিশ্চিত করতে আজ সকাল ৭টা ৪৫ মিনিট থেকে বিকাল ৩টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত
শাটল সার্ভিস চলবে।
ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা বাহিনীর দুই হাজারের বেশি সদস্য মোতায়েন
ছবির ক্যাপশান, ক্যাম্পাসের ভেতরে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
কেন্দ্রীয়
ছাত্র সংসদ বা ডাকসু নির্বাচনে স্বচ্ছতা
ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মোতায়েন করা হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দুই হাজারের
বেশি সদস্য।
ভোট শুরু হওয়ার আগে থেকেই ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গায় পুলিশ সদস্যদের অবস্থান নিতে
দেখা গেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কয়টি প্রবেশপথে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট।
বৈধ আইডি কার্ড ছাড়া ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না কাউকে।
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের নীলক্ষেত মোড়ের প্রবেশপথে বিজিবি
সদস্যদের দেখা গেছে।
ভোট দিতে দীর্ঘ লাইন
ছবির ক্যাপশান, ডাকসু নির্বাচনে ভোট দিতে অপেক্ষারত শিক্ষার্থীরা
শুরু হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ বা ডাকসু নির্বাচন।
ভোটের সময় শুরু হবার আগে থেকেই
কেন্দ্রগুলোর বাইরে দেখা গেছে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ লাইন। স্বতঃস্ফূর্ত ও উৎসবমুখর পরিবেশে
নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে ভোটাররা।
নির্বাচনের আটটি কেন্দ্রের
মধ্যে ভূতত্ত্ব বিভাগে
ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে নির্ধারিত সময়ের প্রায় ২০ মিনিট পর।
এসময় ফাঁকা ব্যালট বাক্স এনে গণমাধ্যম ও পোলিং এজেন্টকে
দেখান কেন্দ্রটির ভোটের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা। দেরি করা সময় পরে পুষিয়ে দেওয়া হবে
বলেও জানিয়েছেন তারা।
উল্লেখ্য, এটি
কবি সুফিয়া কামাল হলের শিক্ষার্থীদের ভোটকেন্দ্র। এখানে ভোটার আছে চার হাজার ৪৪৩
জন।
এসময় ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের ভিপি বা সহসভাপতি পদে দাঁড়ানো
প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান এবং সাদিক কায়েমকে ভোট কেন্দ্রগুলো ঘুরে দেখতে দেখা গেছে।
উল্লেখ্য, আজ সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত আটটি কেন্দ্রের ৮১০টি বুথে ডাকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলবে।
এবার ভোটারদের মোট সংখ্যা ৩৯ হাজার ৭৭৫ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ২০ হাজার ৮৭৩ জন এবং নারী ভোটার ১৮ হাজার ৯০২ জন।
এর আগে ২০১৯ সালে সর্বশেষ ভোট অনুষ্ঠিত হয়। এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর অষ্টম
ভোট এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাতে ৩৮ তম ভোট।
এবারের ডাকসু নির্বাচনে প্রতি ভোটার কেন্দ্রীয় সংসদের ২৮টি ও হল সংসদের ১৩টি পদ
মিলিয়ে মোট ৪১টি পদে ভোট দেবেন।
ছবির ক্যাপশান, ভোট শুরুর প্রস্তুতি
বিবিসি বাংলার লাইভ
বিবিসি
বাংলার লাইভ পাতায় আপনাদের স্বাগত। দেশ ও বিশ্বের উল্লেখযোগ্য ঘটনার সর্বশেষ খবর
পেতে চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার এই পাতায়।